আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা

0
207
আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা
আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা

আসসালামু আলাইকুম। বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। বর্তমান সময়ে এখনো শিক্ষা সম্পর্কে অনেকেরই জানার রয়েছে। তেমনি একটি পোষ্ট নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি। আজ আমি আপনাদের জানাবো আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা সম্পর্কে।

বাংলাদেশের উঠতি বয়সী ছেলে মেয়েরা অনেকেই থাকে আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার জন্য। সঠিক দিক নির্দেশনার কারণে তারা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারে না বেশির ভাগ ছেলে মেয়েরা। আর বিশেষ করে আমার এই পোষ্টটি এই রকমের যা আপনার লক্ষ্য সহজ করে তৈরি করবে। আমি চেষ্ট করব সহজ করে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য। আর কারো যদি কোন সমস্যা মনে হয় তা আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবে।

আমেরিকার শিক্ষা গুরুত্ব কেন?

অনেকেরই ভাবনা ছিল শিক্ষার দিক থেকে মনে হয় ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট ও জাপান এই সমস্থ দেশ গুলোই ভালো। কিন্তু কিভাবে যে, আমেরিকা উচ্চশিক্ষা এর দিকটা ছরিয়ে গেল তা অনেকেরই অজানা। আজকের এই বিশ্বে শিক্ষার প্রতিযোগিতা কম চলছে না। আর তাই কোন দেশের শিক্ষাকেই ছোট করা যাবে না। আজও অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ডিগ্রির নিতে প্রস্তুত। আর ডিগ্রির জন্য যুক্তরাষ্ট্রেই পড়তে চায় সবাই।

আমেরিকার উচ্চ শিক্ষানীতি ও পদ্ধতি

এবার যাব আমরা শিক্ষার দিকে। আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা পদ্ধতি যা পুরো পৃথিবীতে স্বীকৃত। আমেরিকায় যদি কেউ একটা ডিগ্রি নিতে পারে তা সারা দুনিয়াতে যে কোন স্থানে তা স্বীকৃতি পাবেই। বাস্তব কাজের সাথে বা সাধারণ পড়াশুনা ও গবেষনার সাথে সংপৃক্ত যে কোন চাকুরির ক্ষেত্রে আপনার কোন সমস্যাই হবে না। আমেরিকার শিক্ষা পদ্ধতিতে যে সমস্থ বিষয় বাস্তবে নেই তারা সে সমস্থ বিষয়গুলো অনেক আগেই বাতিল করেছে।

তবে আরও বেশ কিছু কারণ আছে তার মধ্য অন্যতম হচ্ছে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা পদ্ধতি। আমেরিকার মানুষের ব্যবহার অত্যান্ত ভালো। সকাল বেলা যদি কোন অপরিচিত মানুষের সাথেও দেখা হয় তাহলে তারা সুন্দর একটা হাসি দিয়ে বলবে গুড মরনিং। যদি তারা কাউকে বিদায় দেয় তাহলে বলবে, হ্যাব এ নাইচ ডে।

এই সমস্থ বিষয় গুলো আসলেই অনেক ভালো। আমেরিকায় জীবন যাপন অতুলনীয় ও পৃথিবীর সেরা চিকিৎসার মধ্যে তারা অন্যতম। ভালো খাবারে নিশ্চয়তা ও যে কোন পন্যের সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা। এছাড়া তারা এমন কি, যে কোন ধর্ম-কর্ম নিয়ে মাথা ঘামাবে না। আপনার যে ধর্ম ইচ্ছা সেই ধর্ম পালন করতে পারবেন।

পারলে তারা আপনাকে সাহায্য করবে। আমেরিকান সমাজ ব্যবস্থা মিশ্র সমাজ ব্যবস্থা। আর তাই আমেরিকান সমাজ ব্যবস্থাকে মিশ্র সমাজ ব্যবস্থা বলা হয়ে থাকে। ইউরোপ বা এশিয়ার বাকি দেশ গুলোর তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় বলে আমেরিকায় সত্যি উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম।

আমেরিকায় শিক্ষা ব্যবস্থা

আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে যে সময় লাগে ঠিক সে রকম আমেরিকাতেও উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে সেই সময় লাগে। ৩-৪ বছর সময় লাগে ব্যাচেলর কোর্স করতে আর ২ বছর লাগে মাস্টার্স করতে। কিন্তু পিএইচডির ক্ষেত্রে একটু আলাদা রিসার্চের উপর নির্ভর করে পিএইচডির ফলাফল। এখানে আমেরিকায় নন-ডিগ্রি প্রোগ্রামেরও আয়োজন করা হয়। নিম্ন লিখিত ডিগ্রিগুলো উচ্চশিক্ষার জন্য প্রদান করা হয়।

০১. এ্যাসোসিয়েট ডিগ্রিঃ কমপক্ষে ১২ বছর শিক্ষাবর্ষ(এইচএসসি) শেষে এ্যাসোসিয়েট ডিগ্রিতে ভর্তি হতে হয়। ২ বছর মেয়াদ কোর্সের।

০২. ব্যাচেলর ডিগ্রিঃ ব্যাচেলর ডিগ্রি করতে হলে তাকে অব্যশই ১২ বছরের শিক্ষাবর্ষ(এইচএসসি) পার করতে হবে। ৪ বছর কোর্সের মেয়াদ।

০৩. মাস্টার্স ডিগ্রিঃ মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য আবেদন করতে হলে কমপক্ষে ১৬ বছরেরে শিক্ষাবর্ষ পার করতে হবে।

০৪. ডক্টরেট ডিগ্রিঃ ডক্টরেট করার জন্য আবেদন করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মাস্টার্স বা এমফিল পর্যায়ের শিক্ষাবর্ষ শেষ করতে হবে। ডক্টরেট ডিগ্রির কোর্স ৩ থেকে ৬ বছরের হয়ে থাকে।

আমেরিকার শিক্ষাবর্ষের সেমিস্টার

০১. স্পিপ্রং সেমিস্টারঃ জানুয়ারী মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত এই সেমিস্টার।
০২. সামার সেমিস্টারঃ মে মাস হতে জুলাই মাস পর্যন্ত এই সেমিস্টার।
০৩. ফল সেমিস্টারঃ আগষ্ট মাস হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই সেমিস্টার।

উচ্চশিক্ষায় আমেরিকার ভাষা

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার জন্য ভাষা ইংলিশ। তাই এখানে ভাষার উপর দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন SAT,ACT,GMAT, GRE,IELTS, TOEFL,TSE ও অন্যান্য পরীক্ষা দিয়ে তার পর আসতে হয়। যারা অনার্সে পড়তে চায় তাদের কে অবশ্যই SAT বা ACT পরীক্ষা দিতে হবে। বর্তমানে আমেরিকায় মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য GRE টেস্টের নাম্বার গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়ে থাকে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিয়ম

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয় জানতে হবে। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের এককটি নিয়ম কানুন একক রকম। সেগুলোর পরেও সবগুলোতে সহজ ভাষায় একটা সামঞ্জস্যের কিছু অংশ নিয়ে লেখা হচ্ছে। তারপরেও আপনি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাচ্ছেন তাদের কোন আলাদা কোন নিয়ম-কানুন আছে কিনা তা আমাদের ওয়েবসাইটে দেখে নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

প্রথম ধাপ, আমাদের দেশে যেমন পরীক্ষার মাধ্যমে ভালো রেজাল্ট হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায় কিন্তু আমেরিকাতে এমনটা নয় একটু ব্যতিক্রমি। তবে এটা ঠিক যে ভর্তির জন্য পরীক্ষা দিয়ে হয়। আর সেই পরীক্ষাগুলোর ভর্তির অনেকগুলো অনুষঙ্গের মধ্যে একটা অনুষঙ্গ মাত্র এর বেশি আর কিছু নয়। আমেরিকায় পরীক্ষার রেজাল্ট যতটা গুরুত্বপূর্ণ তার চেয়ে এক্সট্রা কারিকুলার তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয় ধাপ, আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর আপনি কোন বিষয় (subject) পেলেন তা উল্লেখ থাকবে না। আন্ডারগ্রাজুয়েটে প্রথম দুই বছর তারা মূলত সবাই একই বিষয়ে পড়াশুনা করে থাকে। তারা এই দুই বছর কেউ চাইলেও বিষয় (subject) পরির্বতন করতে পারবেনা। তবে তারা বার বার সব বিষয় (subject) পড়তে পারে।

দুই বছর পর তারা মেজর ডিক্লেয়ার করে অর্থাৎ যে বিষয় (subject) নিয়ে আপনি বিষয় পড়তে চান তার নাম বলতে হয়। কাজেই আমেরিকার যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া মানে সব বিষয় (subject) পড়তে পাড়ার স্বাধীনতা। তবে বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক থাকতে পারে। আর সেই সব নিয়ম-কানুন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে হয়।

তৃতীয় ধাপ, আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য রকম একটা সুয়োগ আছে যা অন্য কোথাও নেই তা হল, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর সে যদি চায় সে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে সে তা করতে পাড়বে কিন্তু তাকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে তাকে চলে যাতে হবে।

তবে এই ব্যাপারটি খুব কঠিন নয়। তবে আমরা বলতেই পাড়ি যে, সুচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হতে পাড়ি। এরকম অনেকেই আছে যারা নর্মাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে এসেছে।

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা গ্রহনের সুযোগ আছে যেসব বিষয়ে

আমেরিকাতে প্রায় সব বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া যায়। প্রায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী যায় ইঞ্জিনিয়ারিং বা গবেষণা মূলক বিষয়ে ডিগ্রি নিতে। উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় নিয়ে তারা উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে থাকে সে বিষয়গুলো নিচে দেয়া হলঃ ফিজিক্স, ম্যাথ, কেমিসিস্ট্রি, বিজনেস, এডমিনিস্ট্রেশন, আর্টস, সোশ্যাল সায়েন্স, আইন, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি। এছাড়া আবার মেডিকেল সায়েন্সের যে কোন বিষয় নিয়ে গবেশনা করা যায়।

আমেরিকায় টিউশন ফি ও পড়াশোনার খরচ

আমেরিকায় পড়তে আসলে খুব বেশি টাকার দরকার হয় না। বাংলাদেশের অনেকেই ধারণা করে যে আমেরিকাতে পড়তে হলে ব্যাংকে কোটি টাকা থাকতে হবে আসলে সেটা না। আসলে টাকা কোন ব্যাপার না। যদি কেউ ফুল স্কলারশী নিয়ে যেতে পারে আমেরিকাতে। তবে এটা সত্যি যে গ্রাজুয়েশনের চেয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েশনে ফুল স্কলারশীপের সংখ্যা অনেক কম।

তবে ব্যাপারটা অসম্ভব নয় কিন্তু প্রতিযোগিতা মূলক। আমেরিকাতে লেখাপড়ার মান উন্নয়ন হওয়ার কারণে সেখানকার খরচ একটু বেশি। চার বছরের একটা কোর্স করতে হলে টিউশন ফি দিতে হবে প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা। এছাড়া মাস্টার্স কোর্স করতে টার্ম প্রতি প্রায় ৩০-৭০ হাজার টাকা লাগবে।

আমারিকায় উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি উপার্জন

আমেরিকাতে আন্ডারর্গ্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নরত অবস্থায় কোন ধরনের চাকুরি করার সুযোগ নেই। তবে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে ক্যাম্পাস ভিত্তিক চাকুরি করা যায়। যারা বাংলাদশ থেকে চলে যায় তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকে এবং তারা প্রতি ঘন্টায় ২৫ ডলার ইনকাম করে থাকে। আর যাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষাগত দক্ষতা থাকে তারা অফিসিয়াল কাজ করার সুযোগ পেয়ে থাকে।

আর যারা কম আয়ের কাজ করে থাকে তাদের পরিশ্রম বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু স্কলারশীপ পাওয়ার ব্যবস্থা আছে। তবে আপনি চাইলে বিভিন্ন কলেজের ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের সর্বশেষ স্কলারশীপের ব্যাপারে জানতে পারবেন। তবে আপনি চাইলে আমেরিকার দূতাবাসে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে স্কলারশীপের জন্য বিগত পরীক্ষার ফলাফল ও ভর্তির আগে তারা যেসব পরীক্ষা নেবে তাতে নির্দিষ্ট মার্কস পেতে হবে।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির তথ্য ও আবেদন করবেন যেভাবে

* প্রথমে যাচাই করতে হবে আপনার কাঙ্খিত বিভাগে আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময়সীমা।
* বিশ্ববিদ্যালোয়ের অ্যাডমিশন অফিস বরাবর আবেদন ফরম ও অন্যান্য তথ্যাদি দিতে হবে।
* আপনাকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব ওয়েবসাইড থেকে।
* ভর্তির সকল ধরনের তথ্য অ্যাডমিশন অফিস আপনাকে জানিয়ে দিবে।
* কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি পদ্ধতি চালু আছে।
* আপনি কমপক্ষে এক বছর সময় হাতে রেখে ভর্তির প্রক্রিয়া চালু করুন।
* ৬-৮ মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়।

আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র

* আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে।
* আবেদন ফি জমাদানের প্রমানপত্র।
* আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ । শুধু মাত্র কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিলিখন হতে হবে।
* আপনার স্কুল বা কলেজের ছাড়পত্র।
* LETS/টোফেল পরীক্ষার ফলাফলের সনদ।
* জি আর ই, স্যাট বা জি-ম্যায় এর ফলাফলের সনদ। (প্রয়োজন সাপেক্ষে)।
* আপনার পাসপোর্টের ফটোকপি।

ভর্তি এবং অতঃপরঃ অনার্সে যদি আপনি ভর্তি হতে চান তাহলে SAT বা ACT পরীক্ষার পর আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাউটে গিয়ে ভর্তির ফরম সংগ্রহ করে যাবতীয় তথ্য জেনে নিন। আপনি যদি কোন বিষয়ে মাস্টার্স বা পিএইচডি কোর্চে ভর্তি হতে চান তাহলে যার অধীনে আপনি গবেষণা করতে আগ্রহী তাকে নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা, থিসিস দিয়ে মোটিভেশান চালান।

স্টেটমেন্ট অব মোডিভেশন সিভি পাঠান। আপনি ঘরে বসেই তাদের সাথে ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। তারপর যদি আপনি সাড়া পেয়ে যান তাহলে আমেরিকান দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করুন।

থাকার ব্যবস্থাঃ ভর্তির পর ক্লাস শুরুর আগে আপনাকে থাকার ব্যবস্থা করে নিতে হবে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে থাকার ব্যবস্থা আছে, মাসিক ব্যয়, যাতায়াত খরচ এবং যাবতীয় সুবিধার জন্য তারা হোটেল, যুব হোটেল, আন্তর্জাতিক হাউজিং এমন কি সেখানকার স্থানীয় ফ্যামিলির সাথেও থাকেন।

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা এই ছিল আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে আলোচনা। আপনারা সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এই কামনায় আজকের মত শেষ করছি। আর আপনারদের কেমন পোষ্ট পছন্দ তা আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন।